শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬, ০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়নসহ দেশবাসীকে বিএনপি নেতা সাজ্জাদ উল্লাহর ঈদের শুভেচ্ছা – কোর্টে বিচারাধীন ভূমি নিয়ে বাসুরী গ্রামে ত্রিপক্ষীয় বিরোধ বাদীকে না জানিয়ে দুই পক্ষের সালিশ বৈঠকের অভিযোগ স্বদেশ গমন উপলক্ষে ইউকে জমিয়ত নেতা মাওলানা নাজমুল হাসানকে সংবর্ধনা  আইন অমান্য করে জোরপূর্বক ধান কর্তনের অভিযোগ  দিরাই উপজেলার হোসেনপুর বাজারের সড়কের বেহাল দশা তিন উপজেলার মানুষের ভোগান্তি।  দিরাইয়ে তালিমুল কুরআন সিকন্দরপুর মাদ্রাসায় পুনরায় ক্লাস শুরু, শিক্ষার্থীদের মাঝে মিষ্টি বিতরণ চন্ডিডর ব্রিজটাই যেনো তিন উপজেলার স্বপ্ন  সদর উপজেলার লক্ষণশ্রী ইউনিয়নের সাহেব নয়, সেবক হতে চান মোঃ রকিব মিয়া তালুকদার  শান্তিগঞ্জে জামিয়া ইসলামিয়া রিয়াজুল উলূম মাদ্রাসার উদ্বোধন ও দোয়া মাহফিল  শান্তিগঞ্জে নিরীহ পরিবারের উপর হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

আইন অমান্য করে জোরপূর্বক ধান কর্তনের অভিযোগ 

দৈনিক সুনামগঞ্জের দিনকাল
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬
  • ১৪৩ সময়

 

শান্তিগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার জয়কলস ইউনিয়নের জামলাবাজ গ্রামে আদালতের নির্দেশ অমান্য করে জোরপূর্বক ধান কর্তনের অভিযোগ উঠেছে।

 

মঙ্গলবার সকালে গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে এমন অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী মোক্তার আলী। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শান্তিগঞ্জ থানায় একটি মামলাও চলমান রয়েছে। জোরপূর্বক ধান কর্তনের ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

 

ভুক্তভোগী জামলাবাজ গ্রামের আব্দুল গফুরের ছেলে মুক্তার আলী, আশাদ আলী, জাহেদ আলী ও এরশাদ আলীর দাবি, ৫৩৪ নং খতিয়ানের ২৬৬৬ নং দাগের ৩০ শতাংশ জমি প্রায় ৩০ বছর আগে আব্দুল লতিফের কাছ থেকে দলিলমূলে ক্রয় করেন।

এরপর থেকে তারা দীর্ঘদিন ধরে ওই জমি ভোগদখল ও চাষাবাদ করে আসছেন। সব সময়ের মতো এবছরও এই জমি চাষ করেছিলেন তারা।

 

অথচ একই গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে  ফরিদ উদ্দিন ওই জমির মালিকানা দাবি করে সুনামগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সি আর ৩১৭/২০২৬ নং মামলা দায়ের করেন। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ১৪৪ ধারা জারি করে শান্তিগঞ্জ থানায় নোটিশ পাঠান। নোটিশ পাওয়ার পর শান্তিগঞ্জ থানার এসআই আল আমিন ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষকে জমির ধান না কাটার নির্দেশ দেন। নির্দেশ অমান্য করে মঙ্গলবারে সেই ধান জোরপূর্বক কেটে নেন অভিযুক্তরা।

 

মুক্তার আলীর ছেলে জিবান আহমেদ বলেন, “ফরিদ উদ্দিন ও তার লোকজন আমাদের জমি ছেড়ে দেওয়ার জন্য বিভিন্ন সময় হত্যার হুমকি দিয়ে আসছে। আমাদের সন্তানরা তাদের বাড়ির পাশ দিয়ে স্কুল-মাদরাসায় যাতায়াত করে। ভয়ের কারণে তারা এখন ঠিকমতো স্কুলে যেতে পারছে না।”

 

সকল অভিযোগ অস্বীকার করে ফরিদ উদ্দিন বলেন, “আমি (এসএ) রেকর্ডভুক্ত মালিক মুছিম উল্লাহর ওয়ারিশদের কাছ থেকে দলিলমূলে জমি ক্রয় করেছি। বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন ছিল এবং আমি আমার পক্ষে রায় পেয়েছি। তাই নিজের জমির ধান কেটে নিয়েছি।”

 

এ বিষয়ে শান্তিগঞ্জ থানার সেকেন্ড অফিসার রাকিব বলেন, আদালত এই জমিতে ১৪৪ ধারা জারি করেছেন। ফরিদ উদ্দিন পক্ষের লোকজন রিসিভার চেয়েছেন। অর্থাৎ তৃতীয়পক্ষ কর্তৃক ধান কাটার অনুমোতি চেয়েছেন। পরে তারা নিজেরাই ধান কাটা শুরু করেন।

খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ধান উদ্ধার করে স্থানীয় ইউপি সদস্য (প্যানেল চেয়ারম্যান) সবুজ মিয়ার কাছে গচ্ছিত রেখে এসেছি। পরে আদালত যার পক্ষে রায় দিবেন তাকে ধান বুঝিয়ে দেওয়া হবে। কোনো রকমের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি যেনো না হয় সেদিকে আমাদের সজাগ দৃষ্টি আছে৷

 

তবে প্যানেল চেয়ারম্যান সবুজ মিয়া বলেন, গত অগ্রাহায়নে দু’ক্ষের ঝামেলা হয়েছিলো সময় আমার কাছে কিছু ধান গচ্ছিত আছে। সম্প্রতি বা বৈশাখী ধান নিয়ে ঝামেলার কোনো খবর আমি জানিও না, কোনো ধান আমার কাছে গচ্ছিত নেই।।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
themesba-lates1749691102
Translate »