শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬, ০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়নসহ দেশবাসীকে বিএনপি নেতা সাজ্জাদ উল্লাহর ঈদের শুভেচ্ছা – কোর্টে বিচারাধীন ভূমি নিয়ে বাসুরী গ্রামে ত্রিপক্ষীয় বিরোধ বাদীকে না জানিয়ে দুই পক্ষের সালিশ বৈঠকের অভিযোগ স্বদেশ গমন উপলক্ষে ইউকে জমিয়ত নেতা মাওলানা নাজমুল হাসানকে সংবর্ধনা  আইন অমান্য করে জোরপূর্বক ধান কর্তনের অভিযোগ  দিরাই উপজেলার হোসেনপুর বাজারের সড়কের বেহাল দশা তিন উপজেলার মানুষের ভোগান্তি।  দিরাইয়ে তালিমুল কুরআন সিকন্দরপুর মাদ্রাসায় পুনরায় ক্লাস শুরু, শিক্ষার্থীদের মাঝে মিষ্টি বিতরণ চন্ডিডর ব্রিজটাই যেনো তিন উপজেলার স্বপ্ন  সদর উপজেলার লক্ষণশ্রী ইউনিয়নের সাহেব নয়, সেবক হতে চান মোঃ রকিব মিয়া তালুকদার  শান্তিগঞ্জে জামিয়া ইসলামিয়া রিয়াজুল উলূম মাদ্রাসার উদ্বোধন ও দোয়া মাহফিল  শান্তিগঞ্জে নিরীহ পরিবারের উপর হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

কোর্টে বিচারাধীন ভূমি নিয়ে বাসুরী গ্রামে ত্রিপক্ষীয় বিরোধ বাদীকে না জানিয়ে দুই পক্ষের সালিশ বৈঠকের অভিযোগ

দৈনিক সুনামগঞ্জের দিনকাল
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬
  • ২৩ সময়

হুমায়ুন কবির,, দিরাই উপজেলা প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার বাসুরী গ্রামে আদালতে বিচারাধীন একটি ভূমি নিয়ে ত্রিপক্ষীয় বিরোধকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। মামলার বাদীকে অবগত না করে দুই পক্ষের মধ্যে সালিশ বৈঠক আয়োজনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় তিন বছর ধরে বাসুরী গ্রামের একটি ১৫ শতাংশ ভূমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। অভিযোগ রয়েছে, একই গ্রামের সালমা বেগম তার চাচার কাছ থেকে উক্ত জমি ক্রয়ের উদ্দেশ্যে ৬০ হাজার টাকার স্ট্যাম্পে বায়নাপত্র সম্পাদন করেন।

পরবর্তীতে পার্শ্ববর্তী জমির মালিক কাবিরুল রশীদ ও তার কেয়ারটেকার জমিরুল হোসেন বিভিন্ন প্রভাব ও চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে ওই ১৫ শতাংশ জমির মধ্যে ৬ শতাংশ নিজেদের নামে রেজিস্ট্রি করে নেন বলে অভিযোগ করেন সালমা বেগম।

এ বিষয়ে সালমা বেগম দাবি করেন, উক্ত জমিতে তার পিতা মরহুম হাবিবুর রহমানের আইনগত মালিকানা রয়েছে। তিনি জমি ক্রয়-বিক্রয়ের প্রক্রিয়াকে অবৈধ উল্লেখ করে আদালতে মামলা দায়ের করেন। বর্তমানে মামলাটি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।

এদিকে, কিছুদিন পর জমির ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যেও বিরোধ দেখা দিলে বিষয়টি ত্রিপক্ষীয় বিরোধে রূপ নেয়। অভিযোগ উঠেছে, চলমান মামলার বিষয়টি উপেক্ষা করে আজ বাদীকে না জানিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সালিশ বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে।

বাদী সালমা বেগম বলেন,

“যেহেতু বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন, সেহেতু আমাকে না জানিয়ে কীভাবে সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হচ্ছে তা বোধগম্য নয়। আদালতের বিচার ব্যবস্থাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এ ধরনের সালিশ কার্যক্রম কোনোভাবেই বৈধ হতে পারে না।”

এ বিষয়ে অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, বিচারাধীন কোনো বিষয়ে একতরফাভাবে সালিশ বৈঠক আয়োজন ভবিষ্যতে আরও জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে।

এ ব্যাপারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
themesba-lates1749691102
Translate »