মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৪৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
শান্তিগঞ্জে নির্বিঘ্নে বোরো ধান কর্তন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত শান্তিগঞ্জে দুই গরু চোর, চুরির গরুসহ পুলিশে দিল পাবলিক। শান্তিগঞ্জে নিরীহ পরিবারে হামলা, থানায় অভিযোগ সুবিপ্রবিতে দ্বিতীয় ধাপে ‘বি’ ইউনিটের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন সিলেটের আবহমান লোকসংস্কৃতি, ছিলটি নাগরী ভাষা, লোকসাহিত্য, গান, ঐতিহ্য ও শেকড়ের সংস্কৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যে আগামী ৯ এপ্রিল ২০২৬ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দিনব্যাপী  লোক উৎসব  শান্তিগঞ্জের পাথারিয়া বাজারে যাত্রী ছাউনি ভেঙে মার্কেটের রাস্তা নির্মাণ-জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ দায়ের শান্তিগঞ্জে প্রতিবন্ধী পরিবারের জমি দখলের অভিযোগ শান্তিগঞ্জের ৭নং পশ্চিম বীরগাঁও ইউনিয়নবাসীর খাদেম হতে চান আব্দুল্লাহ আল-নোমান মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করে শান্তিগঞ্জ উপজেলা জামায়াত শান্তিগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন

সিলেটের আবহমান লোকসংস্কৃতি, ছিলটি নাগরী ভাষা, লোকসাহিত্য, গান, ঐতিহ্য ও শেকড়ের সংস্কৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যে আগামী ৯ এপ্রিল ২০২৬ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দিনব্যাপী  লোক উৎসব 

দৈনিক সুনামগঞ্জের দিনকাল
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২২২ সময়

ছামির আহমেদ,, সিলেট জেলা

উৎসবটি অনুষ্ঠিত হবে ঐতিহ্য চত্বর (আলী আমজাদের ঘড়ি, কীনব্রিজ চাঁদনীঘাট ও সারদা হল প্রাঙ্গণ) এলাকায়। আয়োজন করছে হাছন রাজা লোকসাহিত্য ও সংস্কৃতি পরিষদ, কেন্দ্রীয় কমিটি, বাংলাদেশ।

আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, সিলেট অঞ্চলের নিজস্ব ভাষা, সাহিত্য, লোকসংগীত, পালাগান, বাউলগান, মরমী সংগীত, লোকনৃত্য, ঐতিহ্যবাহী খাবার, গ্রামীণ সংস্কৃতি ও নাগরী লিপির ঐতিহ্য তুলে ধরাই এ উৎসবের মূল উদ্দেশ্য। দিনব্যাপী এই আয়োজনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোচনা সভা, লোকসংগীত পরিবেশনা, নাগরী ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ক প্রদর্শনীসহ বিভিন্ন আয়োজন থাকবে।

উৎসব উপলক্ষে সংগঠনের সভাপতি ডাঃ জহিরুল ইসলাম অচিনপুরী এক বার্তায় বলেন, সিলেটের হাজার বছরের ঐতিহ্য, লোকসংস্কৃতি ও নাগরী ভাষা আজ হারিয়ে যাওয়ার পথে। নতুন প্রজন্মের কাছে এই ঐতিহ্য পৌঁছে দিতে এবং লোকসাহিত্য চর্চা বৃদ্ধি করতে এই উৎসব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মোঃ সোলেমান হোসেন চুন্নু বলেন, ছিলটি ভাষা ও সংস্কৃতি শুধু সিলেটের নয়, এটি বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই উৎসবের মাধ্যমে আমরা আমাদের শেকড়কে নতুনভাবে তুলে ধরতে চাই।

আয়োজকরা জানান, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে লোকশিল্পী, গবেষক, সাহিত্যিক, সাংস্কৃতিক কর্মী ও সংস্কৃতিপ্রেমীরা এই উৎসবে অংশগ্রহণ করবেন। তারা আশা করছেন, এই আয়োজন ছিলটি লোকসংস্কৃতি সংরক্ষণ ও প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 

উৎসবটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে এবং সংস্কৃতিপ্রেমী সকল মানুষকে উপস্থিত থাকার জন্য আয়োজকদের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
themesba-lates1749691102
Translate »